1. admin@deshomanusherbarta24.com : admin :
শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে পারে যিনি তিনিই তো প্রকৃত মানব সেবক - দেশ ও মানুষের বার্তা
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
আ’লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আদর্শনগর ইউনিট আ’লীগের উদ্যোগে কেক কাটা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ এর প্লাটিনাম জয়ন্তীর জনসভায় মুন্নার নেতৃত্বে বিশাল মিছিল তুষারধারা এলাকাবাসী ও তুষারধারা আ/এ পঞ্চায়েত কমিটির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী আয়োজন অনুষ্ঠিত আ’লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সফল করতে ঢাকা-৪ এর এমপি ডাঃ আওলাদ হোসেনের নেতৃত্বে আনন্দ শোভাযাত্রা আওয়ামী লীগ এর ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সফল করতে মুন্নার নেতৃত্বে বিশাল আনন্দ শোভাযাত্রা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর প্লাটিনাম জয়ন্তী সফল করতে মুন্নার সভাপতিত্বে বর্ধিত সভা ৬০ নং ওয়ার্ড বাসীকে পবিত্র ঈদ উল আজহার শুভেচ্ছা- ৬০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী, আলহাজ্ব লুৎফর রহমান রতন মোল্লা কদমতলী সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি সুমন, সাধারণ সম্পাদক হাসান এমপি ডাঃ আওলাদ হোসেনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন আব্দুল মালেক মুন্সী ও শহিদ মাহমুদ হেমি শোক সংবাদঃ না ফেরার দেশে চলে গেলেন ওমর খালেদ তুষার

শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে পারে যিনি তিনিই তো প্রকৃত মানব সেবক

Rahad Hossain
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ৫ মে, ২০২৩
  • ৪০৩ বার পঠিত
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন এ দেশের শিশুরা শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে বাঁচুক। পড়াশুনার সাথে সাথে তারা শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা করতে করতে বড় হোক। উনি এতটাই সংস্কৃতিমনা ছিলেন যে, উনি চাইতেন শিশুরা হাসবে, গাইবে, ছবি আঁকবে, গল্প লিখবে। শিশুরা হেসে-খেলে বড় হবে। এবং এজন্য উনি শিশুদের জন্য নির্দেশনাও দিতেন স্কুল বা সংগঠনগুলোতে। কচিকাঁচার মেলা বা তার সময়ে যেসব সংগঠন ছিল, সেগুলোতে। উনি বলতেন, এগুলোর খুব ভালো কাজ হতে হবে। কারণ সংস্কৃতি চর্চা না করলে সত্যিকার অর্থে ছেলে-মেয়েরা বড় হয়ে উঠতে পারবে না- এগুলো উনি বলতেন। এই যে মানুষটা শিশুদের জন্য সব সময় ভাবতেন, শিশুরাই ভবিষ্যৎ- এটাই বঙ্গবন্ধু।” বঙ্গবন্ধুর হাসিটা ছিল অমলিন, উনার দিকে শিশুরা ছুটে যেত। তখনকার যেসব শিশুরা বঙ্গবন্ধুর অনুষ্ঠানে আসত, তারা বঙ্গবন্ধুর সাথে হাত মেলানোর জন্য, তার কাছে যাওয়ার জন্য, এত আগ্রহী ছিল তারা ছুটে যেত। আর বঙ্গবন্ধুও তার অমলিন হাসি দিয়ে বরণ করে নিতেন।”
ঠিক সেভাবেই বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী শিশুর সুরক্ষায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে শিশুদের জন্য প্রচুর কাজ করা হচ্ছে। শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চায় শিশুদের ভূমিকাকে অগ্রগণ্য করে তোলা হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর থেকে শিশুদের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
শুধু শিশুদের সুরক্ষা নয়, শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ করা হচ্ছে। অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সুবিধা দেয়া হচ্ছে। বিনামূল্যে পড়ালেখার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। বিনামূল্যে বই বিতরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতিবন্ধী শিশুদের সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। শিশুদের মন প্রফুল্ল রাখার জন্য নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে ‘জাতীয় শিশু দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় শিশু দিবসে শিশু সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। নানা কর্মসূচি থাকে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনন্দদান ছাড়াও শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি বছর ১ জানুয়ারি শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি শিশুদের এতটাই ভালোবাসেন, শিশুদের মাঝে গেলেই তাঁর মুখে হাসি ফোটে।
ঠিক সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে, বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী মোঃ আব্দুল মালেক মুন্সী। তিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম শামীম ওসমানের অত্যন্ত আস্থাভাজন প্রিয় ব্যক্তি। কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের রাজনীতির সাথে দীর্ঘ বছর ধরে সক্রিয় রয়েছেন।আওয়ামী লীগের দুর্দিনে বিএনপি জামাতের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে জেল জুলুম সহ্য করেও এমপি শামীম ওসমানের বিশ্বস্ত হাতিয়ার হয়ে রাজপথে ছিলেন। এই মানুষটিকে কুতুবপুরের সর্বসাধারণ গরিবের হাতেম তাই নামেও  চিনে। তার একটি পাঠশালা রয়েছে যার নাম স্বপ্ন পূরণ পাঠশালা। এই পাঠশালাটির তিনি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে শিশুদের প্রতি তিনি সর্বসময় দুর্বল। অসহায় শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোই তার মূল লক্ষ্য। এই পাঠশালাটির শিশুদের জন্য তিনি পড়াশোনার ব্যবস্থাসহ সার্বিকভাবে নিজস্ব অর্থায়নের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিবছরই ঈদে তিনি নতুন জামা কাপড় এই বাচ্চাদের জন্য উপহার দেন। এছাড়াও নিজের জন্মদিনটি সর্বপ্রথম এই অসহায় শিশুদের সাথে নিয়েই তিনি পালন করে থাকেন।
স্বপ্নপূরণ পাঠশালাটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন সিএনএন বাংলা টিভির স্টাফ রিপোর্টার মোস্তাফিজুর রহমান মিলন। মোঃ আব্দুল মালেক মুন্সী সম্পর্কে তিনি বলেন, এই সমাজে অনেক ধনী ব্যক্তি আছে কিন্তু মালেক ভাইয়ের মত এত মহৎ মনের মানুষ খুব কম রয়েছে। তিনি আমার এই ক্ষুদ্র স্বপ্ন পূরণ পাঠশালার বাচ্চাদের জন্য যে সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছেন তা বলে বোঝাতে পারবো না। শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে এই মানুষটি সত্যিকারের একজন মানব সেবক। যখনই এই পাঠশালার কোন বাচ্চার অসুস্থতার কথা শুনে তিনি নিজের সন্তানের মত চেষ্টা করেন সেই বাচ্চার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার। প্রিয় মালেক ভাইকে আল্লাহপাক রব্বুল আলামিন যেন সর্বসময় সুস্থ রাখেন এই দোয়াই করি।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর..
© All rights reserved © 2021 Deshomanusherbarta24
Theme Customized BY WooHostBD